
গলব্লাডার ক্যান্সার (কারসিনোমা গলব্লাডার)
গলব্লাডার ক্যান্সার গলব্লাডারে শুরু হওয়া একটি ক্যান্সার, যা প্রায়ই দীর্ঘদিন ধরে গলস্টোনে ভোগা মানুষদের মধ্যে দেখা যায়। শুরুর লক্ষণগুলো — হালকা পেটে অস্বস্তি, হজমে সমস্যা — সাধারণ গলস্টোনের মতোই হওয়ায় প্রায়ই এটি দেরিতে ধরা পড়ে।
লক্ষণ
ডা. গোলাম মাহমুদ রায়হান-এর চিকিৎসা পদ্ধতি
আলট্রাসাউন্ড, সিটি/এমআরআই এবং টিউমার মার্কার দিয়ে নির্ণয় করা হয়। চিকিৎসা নির্ভর করে ক্যান্সারের পর্যায়ের ওপর — প্রাথমিক পর্যায়ে সম্প্রসারিত (radical) কোলিসিস্টেক্টমি, যেখানে আশপাশের লিম্ফ নোড ও লিভারের কিছু অংশও অপসারণ করা হয়; জটিল পর্যায়ে সার্জারির সাথে কেমোথেরাপি একত্রে দেওয়া হয়।
সুস্থ হয়ে ওঠা
সুস্থ হয়ে ওঠার সময় সার্জারির পরিসরের ওপর নির্ভর করে — সম্প্রসারিত অপারেশনের ক্ষেত্রে সাধারণত ৫-১০ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়, এরপর ধাপে ধাপে সুস্থতা এবং প্রয়োজনে পরবর্তী কেমোথেরাপি চলতে পারে।
দীর্ঘদিনের গলস্টোনের সাথে নতুন কোনো লক্ষণ দেখা দিচ্ছে? দ্রুত পরীক্ষা জরুরি — এখনই যোগাযোগ করুন।
